মঙ্গলবার , ডিসেম্বর ১ ২০২০
   মঙ্গলবার|১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ|১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
    ১৫ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি
Breaking News

ভারত সীমান্তে ভয়ঙ্কর মিসাইল, চীনকে হুঁশিয়ারি

ফোকাস বাংলা: চীনের সঙ্গে বিবাদ কিছুতেই যেন মিটছে না ভারতের। এবার নতুন করে লাদাখে সামরিক পরিকাঠামো গড়ে তুলছে চীন। এর মধ্যে আকসাই চীন ও দৌলত বেগ ওল্ডি সীমানার কাছে চীনা সেনাদের তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। আর সে কারণেই লাদাখের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিরাপত্তা বেষ্টনী আরোও জোরদার করার জন্য অতিরিক্ত ৩০ হাজার সেনা পাঠিয়েছে ভারত।

শুধু তাই নয়, ভারতীয় সেনা বাহিনীর শক্তি বাড়াতে ইগলা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও মোতায়েন করা হয়েছে সেখানে। এই সিস্টেমে কাঁধে নিয়েই স্থলপথে হোক কী আকাশ পথে শত্রুকে লক্ষ্য করে নিখুঁত নিশানায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করা যাবে। সাউথ এশিয়ার নিউজ এজেন্সি এএনআই এর একটি প্রতিবেদনে এমন তথ্য দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ‘‌লাদাখকে নিজেদের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার মধ্যে নিয়ে আসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু জায়গায় রাশিয়ায় তৈরি ইগলা এস এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেম-সহ সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। যদি কোন বিমান ভারতের আকাশ সীমায় ঢুকে পড়লে তাহলে সেটা প্রতিহত করবে এই মিসাইল।’

ভারতের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত চীনকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেয়ে বলেছেন, চীন যতই লাদাখে সেনা ও সামরিক বহর মোতায়েন করুক না কেন, ভারতের এলাকায় ঢুকতে এলে যোগ্য জবাব দেবে ভারতীয় সেনারা। শুধু মুখে বলা নয়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ইতিমধ্যে কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইল মোতায়েন করেছে ভারত। এর সাথে নামানো হয়েছে রাশিয়ার থেকে কেনা অত্যাধুনিক টি-৯০ ভীষ্ম ট্যাংক ও আলট্রা-লাইট হাউইৎজার কামান।

রাশিয়ার প্রযুক্তিতে তৈরি এই ইগলা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। এটি কাঁধে নিয়েই চালাতে পারেন সেনা সদস্যরা। ভারতীয় সেনা বাহিনী ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ব্যবহার করে। সেনাঘাঁটির কাছাকাছি শত্রুপক্ষের হেলিকপ্টার বা যুদ্ধবিমান চলে এলে খুব তাড়াতাড়ি প্রতিপক্ষকে ঠেকাতে ইগলা ব্যবহার করেন সেনারা। ধ্বংস করা যায় প্রতিপক্ষের ফাইটার বিমান বা হেলিকপ্টারকে। স্থলপথে আসা শত্রুদেশের সেনার ওপর যেমন হামলা চালানো যায়, তেমনই ভূমি থেকে আকাশেও মিসাইল ছোঁড়া যায়।

এর আরেকটি সুবিধা হল, সেনা সদস্যরা কাঁধে করেই বয়ে নিয়ে যেতে পারেন এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। ১৯৮১ সাল থেকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে রয়েছে ইগলা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। আসলে ইগলা–এস মিসাইল অনেকটাই উন্নত। এমনকি রাতের অন্ধকারেও শত্রুপক্ষের ওপরে হামলা চালানো যায় এই এয়ার সিস্টেম দিয়ে।

এছাড়াও চীনা সেনাদের গতিবিধির ওপর নজরে রাখতে সব সময় টহল দিচ্ছে ভারতের লড়াকু বিমান সুখোই-৩০, মিগ-২৯ ফাইটার জেটের নতুন ভার্সন, মিরাজ-২০০০ ফাইটার এয়ারক্রাফট। ইতিমধ্যে চলে এসেছে রাফালেও। সব মিলিয়ে চীনকে উপযুক্ত জবাব দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত ভারত।

About Bappy Chowdhury

Check Also

প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে জনসমুদ্র মিনস্কে

ফোকাস বাংলা: নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্দার লুকাশেঙ্কোর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে বেলারুশ। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *