শনিবার , অক্টোবর ১৬ ২০২১
   শনিবার|৩১শে আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ|১৬ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
    ৯ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি
Breaking News

ধর্ষণসহ সকল নারী নির্যাতন প্রতিরোধে দেশব্যাপী একযোগে বিট পুলিশিং সমাবেশ

ফোকাস বাংলা ডেস্ক: ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে দেশব্যাপী বাংলাদেশ পুলিশের সমাবেশ চলছে।

দেশের ৬ হাজার ৯১২টি বিট পুলিশিং এলাকায় ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বিরোধী এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

১৩ অক্টোবর’২০২০ শনিবার সকাল ১০ টা থেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের সব বিটে একযোগে একই সময়ে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনবিরোধী এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ময়মনসিংহ রেল স্টেশন কৃষ্ণচূড়া চত্বরে চলছে, বিট পুলিশিং সমাবেশে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ বলেন, অন্যায় কিংবা ধর্ষণ করে কেউ বাঁচতে পারবে বর্তমান সরকারের আমলে তা সম্ভব নয়। বিচার হবেই। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদের বিনিময়ে এদেশ স্বাধীন হয়েছে। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জনপ্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আমার মা বোন কর্মস্থলে যাবে সেখান থেকে নিরাপদে বাসায় ফিরবে এটা আমাদের সভ্য সমাজের চাওয়া। ধর্ষণবিরোধী আইনের যে অধ্যাদেশ জারি হয়েছে আমি মুক্তিযুদ্ধের একজন সন্তান হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।

রেঞ্জ ডি আইজি ব্যারিষ্টার হারুন অর রশীদ বলেন, নারীরা আর অসহায় নয়। ৯৯৯ এর মাধ্যমে আপনার কাছে পুলিশী সেবা পৌঁছে যাচ্ছে। প্রতিটি থানায় নারী ও শিশুদের জন্য নারী ও শিশু সহায়তা ক্রেন্দ্র চালু আছে।

সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনবিরোধী পোস্টার, লিফলেট, প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের মাধ্যমে জনসাধারণকে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে এগিয়ে আসার এবং এ ধরনের ঘৃণ্য অপরাধের বিরুদ্ধে সচেতন হওয়ার আহবান জানান।

পুলিশ সদর দপ্তর গণমাধ্যমকে জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ন্যায় কয়েকটি জঘন্য ও ঘৃণ্য অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে যুব সমাজের মধ্যে এবং সোস্যাল মিডিয়ায় বেশ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সামগ্রিক চলমান বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ হয়েছে। দেশের সামাজিক শৃঙ্খলা ও শান্তি নিশ্চিতকল্পে ধর্ষণসহ নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিটি ঘটনায় সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা এবং আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশ। একইভাবে সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে প্রতিটি মামলার তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করছে পুলিশ। সম্ভবপর দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এসব মামলার তদন্ত সম্পন্ন করে বিচারের জন্য তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আদালতের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব ঘৃণ্য অপরাধীর যথোপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত হবে।

About Bappy Chowdhury

Check Also

৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ডোজ শুরু হবে গণটিকার

মাটি ও মানুষ : বিশেষ প্রতিনিধি :- বুধবার (২৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর কেন্দ্রীয় ঔষধাগার মিলনায়তনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *