বৃহস্পতিবার , সেপ্টেম্বর ১৬ ২০২১
   বৃহস্পতিবার|১লা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ|১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
    ৮ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি
Breaking News

আউট অব স্কুল চিল্ড্রেন এডুকেশন এবং মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পে ব্যাপক দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

ফোকাস বাংলা ডেস্ক : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দূর্নীতির বিরুদ্ধে ঘোষিত জিরো ট্রলারেন্সের প্রতিফলন ঘটছে না সরকার কর্তৃক উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ও প্রকল্পের ক্ষেত্রে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে গুরুত্বপূর্ণ মেগা প্রকল্পের পাশাপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানুষের জীবনমান ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচির ঘোষণা দেন। কিন্তু সে সব কর্মসূচি বাস্তবায়নের শুরুতেই দূর্নীতির ছাঁয়ায় ঢেকে যেতে পারে উন্নয়নের চিত্র। একনেক থেকে অনুমোদিত আউট অব স্কুল চিল্ড্রেন এডুকেশন (সাব-কম্পোনেন্ট ২.৫, পিইডিপি৪) এবং মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের (৬৪ জেলা) শুরুতেই টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ-সহ জেলায় জেলায় দায়িত্বরত সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দের ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির চিত্র পাওয়া গেছে।


টাঙ্গাইলে জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো সহকারী পরিচালক এ.কে.এম বজলুর রশীদ তালুকদারের বিরুদ্ধে যৌথ ব্যাংক হিসাবের বদলে তার নিজ নামে ব্যাংক হিসান নম্বর খুলে এবং পরবর্তীতে নিজের একক স্বাক্ষরে সরকারি টাকা যদেচ্ছ ব্যবহারের অভিযোগে ২০১৯ সালে অক্টোবর মাসে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালকের কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও কম্পিউটার জব্দ করেছিল। সে সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রোকনুজ্জামানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুচী রাণী সাহাসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।


অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, একনেক থেকে অনুমোদিত মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের (৬৪ জেলা) শিখন কর্মসূচি ডিপিপি’র নির্দেশনানুযায়ী টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও সহকারি পরিচালক, জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো টাঙ্গাইলের যৌথ স্বাক্ষরে একটি চলতি হিসাব সোনালী ব্যাংক লিঃ, কোর্ট বিল্ডিং শাখা, টাঙ্গাইল-এ খোলা হয়। যার নম্বর চলতি- ৬০০৬১০২০০০৭২৫। কিন্তু উক্ত যৌথ হিসাব চলমান থাকা সত্বেও সহকারী পরিচালক একেএম বজলুর রশীদ তালুকদার একই শাখায়, একই শিরোনামে অন্য একটি চলতি ব্যাংক হিসাব খোলেন। যার হিসাব নং- ৬০০৬১০২০০১৪৫৬। তিনি এ চলতি হিসাবের ঠিকানা দিয়েছেন তার শ্বশুরবাড়ীর ঠিকানা ক্ষুদিরামপুর, করটিয়া, টাঙ্গাইল। অথচ অফিসের ঠিকানা হচ্ছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা ভবন, আকুরটাকুর পাড়া, টাঙ্গাইল। শেষোক্ত হিসাব নম্বরে উক্ত প্রকল্পের ৩০ লাখ ১১ হাজার ৭৯০ টাকা জমা করেন এবং ৩০ লাখ নয় হাজার ৭৯০ টাকা তার একক স্বাক্ষরে উত্তোলন করার তথ্য পাওয়া যায়। এছাড়া, এ হিসাব নম্বরের তিনটি চেকের মূলে কোন খাতের টাকা এবং টাকার পরিমাণ কতো-তা লেখা নেই বলেও অভিযোগ করা হয়।


অপর এক অভিযোগে জানা যায়, একেএম বজলুর রশীদ তালুকদার টাঙ্গাইল জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকার পাশাপাশি সিরাজগঞ্জ জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর অতিরিক্ত দায়িত্ব ১২ ফেব্রয়ারি ২০১৮ থেকে ২৮ জুলাই ২০১৯ সাল পর্যন্ত পালন করার সময়ে তিনি মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের (৬৪ জেলা) কার্যক্রমে বেশকিছু ব্যতয় ঘটিয়েছেন। মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের (৬৪ জেলা) এর শিখন কর্মসূচি ডিপিপি’র নির্দেশনানুযায়ী সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও সহকারী পরিচালক, জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, সিরাজগঞ্জের যৌথ স্বাক্ষরে একটি চলতি হিসাব সোনালী ব্যাংক লিঃ, কোর্ট ভবন শাখা, সিরাজগঞ্জে-এ খোলা হয়। যার নম্বর চলতি- ৪২১৯২০২০০০৫৪৯। কিন্তু উক্ত যৌথ হিসাব চলমান থাকা সত্বেও সহকারী পরিচালক একেএম বজলুর রশীদ তালুকদার সোনালী ব্যাংক লিঃ, সিরাজগঞ্জ প্রধান শাখায়, একই শিরোনামে তার একক স্বাক্ষরে অন্য একটি চলতি হিসাব খোলেন। যার হিসাব নং- ৪২১৫০০২০০১০১৮। উক্ত হিসাব নম্বরে উক্ত প্রকল্পের ৫৮ লাখ সাত হাজার ৩০৬ টাকা তার একক স্বাক্ষরে লেনদেন করার তথ্য পাওয়া যায়। এছাড়া তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলা অফিসের কম্পিউটার ও ফার্নিচার সেখানে না পাঠিয়ে টাঙ্গাইল অফিসে রেখে নিয়মের ব্যতয় ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পিপিআর আনুযায়ী ২৫ হাজার টাকার উর্ধ্বে এবং ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বৎসরে ২০ লাখ টাকার মধ্যে পণ্য ও সেবা ক্রয়ের বেলায় স্পট কোটেশন প্রক্রিয়া অবলম্বন করার কথা, কিন্তু তিনি দুটি উপজেলায় এক লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা করে শিক্ষক প্রশিক্ষণের উপকরণ ক্রয় করার বেলায় উক্ত আর্থিক বিধি অমান্য করেছেন।
উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো সহকারী পরিচালক একেএম বজলুর রশীদ তালুকদার জানান, জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া তার পক্ষে কোন বক্তব্য দেয়া সম্ভব নয়।


বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন সে সময়ের জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো সহকারী পরিচালকের কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র কম্পিউটার নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের একটি কক্ষে বসানো হয়েছিল। পাশাপাশি জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো কার্যালয় খোলা থাকবে। তিনি এরপর কোন প্রকার অনিয়ম দুর্নীতি করতে না পারে সে দিকে নজর রাখা হবে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত করা হবে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়ে ছিলেন। আজ ২০২১ সাল, এখনো এ.কে.এম বজলুর রশীদ তালুকদারের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি । টাঙ্গাইলে জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো সহকারী পরিচালক হিসেবেই কাজ করছেন এবং “আউট অব স্কুল চিলড্রেন” নামে কর্মসূচির শুরুতেই দুর্নীতি করার কর্মপরিকল্পনায় লিপ্ত আছেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ধীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি ৪ এর সাব-কম্পোনেন্ট ২.৫ আউট অব স্কুল চিলড্রেন প্রোগ্রাম বাস্থবায়ন করার লক্ষ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তী দিয়ে এনজিওদেও কাছ থেকে ইওআই আহবান করা হয় । উক্ত প্রকল্পের এনজিও কর্তৃক-ইওআই (ঊঙও) জমা নিয়ে যাচাই-বাছাইয়ের পর সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। টাংগাইলের সংক্ষিপ্ত তালিকায় মির্জাপুরের এনজিও উদয় পাঁচ (০৫) সিরিয়ালে স্থান পায়। জানা য়ায় উদয়ে নির্বাহী পরিচালক দে সুধীর চন্দ্র অসৎদোপায় অবলম্বন করে টাকার বিনিময়ে আউট অব স্কুল চিলড্রেন প্রোগ্রাম বাগিয়ে নেয়। এনজিও পাড়ায় আলোচনা আছে নতুন প্রকল্প “আউট অব স্কুল চিলড্রেন” কর্মসূচির টাংগাইল জেলা লিড এনজিও উদয়ের।


টাংগাইলের মির্জাপুরের এনজিও উদয় মূলত বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন এর কালো তালিকা ভুক্ত এনজিও। বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের সাথে কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চুক্তিবদ্ধ হয়ে ১৯/০৪/২০০৯ এবং ০৭/১২/২০০৯ তারিখে টাকা পেয়ে কাজ শুরু করে করে। কর্মসূচি চলাকালীন সময়ে উদয় সীমাহীন দুর্নীতি করলে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন টাকা ছাড় দেওয়া বন্ধ করে দিয়ে কালো তালিকা ভূক্ত করে।


ব্র্যাক এর ঘঋচ কর্মসূচির বাস্তবায়নের পার্টনার হয়েও নিম্নমানের কাজের জন্য পার্টশীপ বাতিল করা হয়েছে। যা ব্র্যাক কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।


দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী, যাদের ‘ভিটে আছে, ঘর নেই’ তাদের বসতঘর বানানোর জন্য ১৯৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘গৃহায়ন তহবিল’ গঠন করেন । তহবিলের দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি ইউনিট। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে স্টিয়ারিং কমিটি এ তহবিলের তদারকি করে। এই বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘গৃহায়ন তহবিল’ থেকে ঋন নিয়ে টাংগাইলের উদয় অন্যতম ঋন খেলাপী হিসেবে অন্তরভূক্ত হয়েছে। এই তালিকা বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহায়ন তহবিল ইউনিট ১৭/০৬/২০১৯ ইং তারিখে প্রকাশ করেছে। এই তালিকার প্রতিলিপি মহাপরিচালক, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো বরাবর পাঠানো হয়েছে।



টাংগাইলের মির্জাপুরে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী অনেক সদস্যদের ঘর প্রদান করাসহ নানাবিধ প্রলোভন দেখিয়ে সঞ্চয় এবং ডিপিএস করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় এই উদয় এনজিও। যারা বেশী টাকা জমা করেছে তারা টাকা ফেরত চাইলেই মামলার ভয় দেখান এবং কারও কারও বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন উদয়ের নির্বাহী পরিচালক দে সুধীর চন্দ। বর্তমানে টাংগাইলের মির্জাপুরের উদয়ের সদস্যদের চাপের মুখে উদয়ের নির্বাহী পরিচালক দে সুধীর চন্দ এলাকা ছাড়া হয়ে ঢাকায় অবস্থান করে টাকার বিনিময়ে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি ৪ এর সাব-কম্পোনেন্ট ২.৫ আউট অব স্কুল চিলড্রেন প্রোগ্রাম বাগিয়ে নেয়। উদয় এবং উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো টাংগাইল জেলার সহকারী পরিচালক এ.কে.এম বজলুর রশীদ তালুকদার এই মিশন বাস্তবায়ন হওয়ায় সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি প্রশ্নবৃদ্ধ হয়েছে।

এদিকে নতুন করে টাংগাইলে এনজিও মহলে আলোচনা হচ্ছে “আউট অব স্কুল চিলড্রেন” কর্মসূচির জেলা লিড উদয়ের অলিখিত পার্টনা এ.কে.এম বজলুর রশীদ তালুকদার । উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪) এর সাব-কম্পোনেন্ট ২.৫ “আউট অব স্কুল চিলড্রেন” শুরু না হতেই দুর্নীতি পরিকল্পনা করে যাচ্ছে । এই কর্মসূচির নীতিমালা অনুযায়ী লিড এনজিও বাস্তবায়ন করতে পারবে ৫০% আর বাকি ৫০% কাজ করবে স্থানীয় পার্টনার এনজিও এরং এই পার্টর এনজিওদের অনুমোদন দিবেন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো মহাপরিচালক । উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো সাথে চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন না করেই টাকার বিনিময়ে টাংগাইলের ৯ টি উপজেলায় জনবল নিয়োগ প্রদান করছে ।

অন্যদিকে, ময়মনসিংহ আউট অব স্কুল চিল্ড্রেন এডুকেশন (সাব-কম্পোনেন্ট ২.৫, পিইডিপি৪) কর্মসূচি বাস্তবায়নে ডেভলেপমেন্ট অফ ইডুকেশনাল সার্ভিস ফর হিউমেন (দেশ) ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা এবং লালমনিরহাট জেলায় ইওআই দাখিল করে ৩টি জেলাতেই শর্টলিস্ট এনজিও (প্রতি জেলায় ৭টি করে) এর মধ্যে ২য় স্থান অর্জন করে নির্বাচিত হয়ে আরএফপি দাখিল করে এবং উপরোক্ত জেলাগুলোতে ফিনানসিয়াল রিকুইজিশনে চারটি (৪) করে এনজিও নির্বাচন করা হয় যার মধ্যে “দেশ” অবস্থান করে। উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়নে এনজিও নির্বাচনের মূল্যায়ন নম্বর অনুযায়ী শতভাগ নম্বর পাওয়ার যোগ্য এবং কর্মএলাকায় “দেশ” এর নিজস্ব অফিস ও কার্যক্রম বিদ্যমান।


আউট অব স্কুল চিল্ড্রেন এডুকেশন (সাব-কম্পোনেন্ট ২.৫, পিইডিপি৪) কর্মসূচির আরএফপি মূল্যায়নে ময়মনসিংহ জেলায় দেশ সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে ১ম হয়।


দেশ’কে ২য় করে অদৃশ্যভাবে শিশু প্রতিভা বিকাশ কেন্দ্র (এসপিবিকে) নামক এনজিও কে কাজ দেওয়ার অভিযোগ দেশ এনজিও’র। ময়মনসিংহে লিড এনজিও হিসেবেও এসপিবিকে নির্বাচিত করা হয়েছে, যার কোন অস্তিত ময়মনসিংহ জেলাতে নেই।
অভিযোগে রয়েছে, এসপিবিকে নামক এনজিও ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক এনজিও পোর্টাল কিংবা মাসিক এনজিও’র সমন্বয় সভার বিগত ১৫ বছরের রেজুলেশনে নাম বা কার্যক্রমের কোন উল্লেখ নেই, যা ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের এনজিও মাসিক এনজিও’র সমন্বয় সভার রেজুলেশন এবং ময়মনসিংহ জেলা এনজিও পোর্টাল ভিজিট করলে এর প্রমাণ মিলবে। অথচ আরএফপি মূল্যায়নে ৭টি পয়েন্টের ৫ নং পয়েন্টে ১০০ নম্বরের মধ্যে কর্মএলাকায় কাজ ও স্থায়ী অফিসের জন্য ২০ নম্বর রয়েছে যা এসপিবিকে এনজিও পাওয়ার অযোগ্য এবং এ এনজিও ইওআই’তেই বাতিলের যোগ্য।


অন্যদিকে, যে এনজিও’র অস্তিত্ব ময়মনসিংহ জেলায় নেই তাকে কিভাবে লিড এনজিও হিসেবে গন্য করা হয়েছে এই নিয়ে ময়মনসিংহ এনজিও মহলে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। রিট করার কথা বলে ময়মনসিংহের স্থানীয় এনজিও সমূহ জানায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নমূলক কর্মসূচি সঠিক ও শতভাগ বাস্তবায়নে কোন অনিয়ম চলতে দেওয়া হবে না, কোন অনিয়ম আমরা মেনে নিবো না। যদি কর্তৃপক্ষ এটি সঠিক তদন্তের মাধ্যমে টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ও লালমনিরহাট জেলায় লিড এনজিও নির্বাচনে পুনঃমূল্যায়ন না করেন তবে বিষয়টি আদালতে গড়াবে। (তথ্য সূত্র: নিজস্ব প্রতিনিধি ও যুগান্তর)

About Bappy Chowdhury

Check Also

এনটিআরসিএ’র আপিলের শুনানি শেষ, আদেশ কাল

সরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের মধ্যে রিটকারী আড়াই হাজার জনকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *