বৃহস্পতিবার , সেপ্টেম্বর ১৬ ২০২১
   বৃহস্পতিবার|১লা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ|১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
    ৮ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি
Breaking News

রাজনৈতিক বেনিয়াদের বিরুদ্ধে ঐক্যের ডাক, উচ্ছ্বাসে উত্তাল বিদ্রোহী মৌজা আকুয়া

বিল্লাল হোসেন প্রান্তঃ ইতিহাস ঐতিহ্যের লীলাভূমি ময়মনসিংহকে নেতৃত্ব দেয়া বিদ্রোহী মৌজা আকুয়া থেকে রাজনৈতিক বেনিয়াদের বিরুদ্ধে আরেকবার ধ্বনিত হলো সেই ঐক্যের ডাক। বৃটিশদের খাজনা না দিতে যে ঐক্য গড়েছিলেন আকুয়াবাসী। তাদেরই বংশধর বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক ধর্মমন্ত্রী আলহাজ অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরী ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জননেতা মোহিত উর রহমান শান্তর কন্ঠে এবার উচ্চারিত হলো সেই ঐক্যের ডাক।  ময়মনসিংহের রাজনীতিকে কুলশিত করতে আকুয়ার ঐক্য বিধ্বংসী বেনিয়াদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে তিনি এ ঐক্যের ডাক দেন। এসময় হাজার হাজার জনতা তাকে সমস্বরে সমর্থন জানিয়ে উচ্ছ্বাসিত হয়ে উঠেন। ১৯ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকালে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আকুয়া ইউনিয়ন বর্তমান ২৬,২৭,২৮ নং ওয়ার্ড এর কর্মী ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আলহাজ আব্দুস সালাম এর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক ধর্মমন্ত্রী আলহাজ অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।

মতবিনিময় সভায় আগত হাজার হাজার নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মোহিত উর রহমান শান্ত বলেন, আমি আপনাদের সন্তান। আমার পিতা আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এই মাটিতে জন্ম নিয়েছেন। আমার জন্ম আকুয়াতে বড় হয়েছি নাটক ঘরলেনে। কোথাও যদি আমার পরিচয় লিখতে হয় আমার স্থায়ী ঠিকানা হয় আকুয়া মড়লবাড়ি। 

তিনি বলেন, আপনারা যারা এই আকুয়ার মানুষ আছেন তাদের কাছে আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের সন্তান হিসেবে সারা জীবনের সেবাদাস হিসেবে কাজ করব আজকের এই মঞ্চে কথা দিয়ে গেলাম।

শান্ত বলেন, আমি যে মাটিতে দাঁড়িয়ে কথা বলছি এই আকুয়ার মাটি কখনও বৃটিশদের খাজনা দেয়নি, তার জন্যই আকুয়াকে বলা বিদ্রোহী মৌজা। ময়মনসিংহ নামক এই জেলাটি যেদিন জন্ম হয়েছে, সেদিন ময়মনসিংহ ছিল ভারত মহাদেশের সর্ববৃহৎ জেলা আর এই ময়মনসিংহ জেলাকে সারা জীবন নেতৃত্ব দিয়েছে এই আকুয়ার মাটির মানুষ আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। মহান মুক্তিযুদ্ধের কাল থেকে এই ময়মনসিংহকে নেতৃত্ব দিয়েছে এই আকুয়ার মানুষ। ইনশাল্লাহা আগামির ১০০ বছর ময়মনসিংহকে নেতৃত্ব দিবে আকুয়ার মানুষ।   তিনি বলেন, যার ছাঁয়ার তলে আমরা এতগুলো মানুষ গড়ে উঠেছি, আমরা যারা তার রক্ত বহন করি। আজকে যারা তাকে এতদূর পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন তাকে এই মহিরহ বানিয়ে দিয়েছেন এখানে তার ভাই আছে, তার আত্মীয় স্বজন আছে সর্বপরি এই আকুয়ার মানুষ আছেন। তাই সর্বোপরি আপনাদের সামনে কথা দিয়ে গেলাম অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের পরিবারের লোকজন আপনাদের সেবায় সারা জীবন থাকবে।  

তিনি বলেন, ময়মনসিংহে আমাদের বাড়ি, আমাদের ঘর, এই আকুয়া এটি আমাদের এবাদত খানা। ময়মনসিংহে কিছু বেনিয়া আমদানি হয়েছে। ভারত মহাদেশে যেমন একসময় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ঢুকেছিল। পরবর্তীতে ২০০ বছর ভারত মহাদেশকে শোষণ করেছে। তা হওয়ার কারণ একটাই সে সময়কার যেসকল রাজা-বাদশা, জমিদার ও তালুকদারা ছিলো তাদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে দিয়েছিল। যার জন্য সুদূর ব্রিটিশ থেকে এসে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ২০০ বছর ভারত মহাদেশকে শাসন করতে পেরেছিল। ময়মনসিংহে এক শ্রেণীর বেনিয়া আজকে এসেছে এই আকুয়ার মানুষের মধ্যে, আকুয়ার মানুষের হৃদয়ের ভেতরে বিভেদ সৃষ্টি করেছে। এই বিবেদের সুযোগ নিয়ে আকুয়ার মানুষের সম্মান ক্ষুন্ন করা, আকুয়ার মানুষের নেতৃত্ব কেড়ে নেওয়া তাদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে কথা দিয়ে গেলাম যতদিন শরীরে জান থাকবে আকুয়ার মানুষকে ময়মনসিংহের বুকে ছোট করতে দিবো না। আজকে হঠাৎ জেগে উঠা মানুষ যারা এক দেড় বছর ধরে রাজনীতি করে আকুয়ার মাটি থেকে রাজনীতির বীজ উৎপাদন করতে যাচ্ছেন তাদেরকে বলি, আমরা অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের রক্ত ধারণ করি, ওনার বুকে যারা ছুড়ি বসিয়েছেন, ওনার দূর সময়ে যারা পীঠে ছুড়ি দিয়েছেন, ওনার বিশন সুসময়ে তিনি তাদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। আমরা তারই সন্তান, তারই রক্ত বহন করি। আমাদের রক্তে যদি আঘাত করা হয়,আমরা মড়লবাড়ির রক্ত কিন্তু সারা জীবন আপোষহীন। 

মোহিত উর রহমান শান্ত বলেন, যারা ধানের শীষে ভোট দেন তারা ধানের শীষে ভোট দিবেন, যারা লাঙ্গলে ভোট দেন তারা লাঙ্গলে ভোট দিবেন আর আমরা যারা শেখ হাসিনা কৃতদাস, আমরা যারা বঙ্গবন্ধুর চেতনার কৃতদাস, আকুয়ার মানুষের কাছে আহব্বান করে যাই আসুন আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ছায়াতলে ঐক্যবদ্ধ হই।  

 তিনি বলেন, কথা বললে অনেক বড় বড় কথা বলা যায় আকুয়ার মানুষ ঘুমিয়ে যখন থাকবে, তখন শেয়ালেরা রাজত্ব করবে। তার মানে আকুয়ার মানুষ হচ্ছে বাঘ। বাঘ যতক্ষণ ঘুমিয়ে থাকে, ততক্ষণ শেয়ালেরা রাজনীতি করে। এখন আকুয়ার মানুষের সময় হয়েছে জেগে উঠার। এই ময়মনসিংহের মাটিকে ছিঁড়ে খাচ্ছে কিছু শেয়ালেরা। যারা কোন দিন এই ময়মনসিংহের মানুষের পাশে দাঁড়ায়নি। যারা কোন দিন ময়মনসিংহে একটি স্কুল/কলেজ স্থাপন করেনি, একটি চিকিৎসালয় স্থাপন করেনি, ময়মনসিংহের মানুষের জন্য কখনো কোনো উপকার করেছে কি না আমি তা শুনিনি! তারা কোথাও ১০ টাকা রোপণ করে থাকলে বিশ্বাস করে থাকবেন ১০০ টাকা তুলে নেয়।   তিনি বলেন, যারা সারা জীবন ময়মনসিংহকে দিয়ে গেছে তাদের কোনো চাওয়া-পাওয়া ছিল না। এই মাটিতে আবুল সরকার জন্ম নিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের আগে মড়লবাড়ি চিনতো আবুল সরকার হিসেবে। তারপর ময়মনসিংহের মানুষ অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, খালেক সরকারদের চিনেছে। তারপর চিনেছে মন্তাজ উদ্দিন, আফাজ উদ্দিন সরকারদের। এরপর চেনার সময় হয়েছে আজকে আমাদের। আমরা সারা ময়মনসিংহে আপনাদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করব কথা দিয়ে গেলাম। তিনি বলেন, নিজের ঘরে বসে বড় বড় কথা বলার কিছুই নাই। আমি এই মাটির সন্তান আপনাদের কাছে দোয়া চাওয়া ছাড়া আমার কিছু নাই। আপনারা দোয়া করবেন যেন এই মানুষগুলো আবুল সরকার, অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, আফাজ উদ্দিন সরকার সারা জীবন আকুয়ার জন্য যে সুনাম বয়ে এনেছে তা যেন আমরা অক্ষুন্ন রাখতে পারি। শান্ত বলেন, আজকে কোন বিদ্বেষের কথা নেই, তারপরও বলি যারা আমাদের দুঃসময়ে পীঠে ছুড়ি বসিয়েছেন তারা, তারা এক সময় নিশ্চিন্ন হয়ে যাবেন। ইতিহাস আপনাদের নিশ্চিন্ন করে দিবে।   তিনি আকুয়াবাসীকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, আল্লাহকে স্বাক্ষী রেখে বলছি আমার বুঝ হবার পর আমি কারো সাথে অন্যয় করি নাই, কারো গায়ে হাত তুলি নাই তারপরও যদি আমাদের কোনো ভুল হয়ে থাকে, আমাদের কোনো কর্মে যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন সেটা আমাদের অজ্ঞাতে হয়েছে। নিজের সন্তান মনে করে ক্ষমা করে দিবেন।  তিনি বলেন, আজকে আমাদের কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য নাই এই আকুয়ার মানুষের ভেতরে বিভাজন তৈরি করে দিয়েছে ব্যবসায়ী বেনিয়ারা। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যেমন ২০০ বছর শাসন করেছে আজকের মানুষ ২০০ বছর বাঁচে না তারা হয়তো ৪/৫ বছর শাসন করতে চায়। আজকের পর থেকে ইনশাল্লাহ তাদের সেই স্বপ্নও ধূলিস্বাত করে দেব। এই মাটি আমাদের মাটি। এই মাটিতে আমরা বড় হয়েছি। এই মাটিতে যারা জন্ম নিয়েছেন তারা সবাই আকুয়ার সন্তান। কিন্তু আকুয়াকে যারা নেতৃত্ব দিয়েছে, আকুয়াকে যারা মানুষের বুকে স্থান করে দিয়েছে তাদের সন্তানরা যারা আমরা রাজনীতিতে আছি, যারা যেই দলেই আছি আপনাদের কাছে মিনতি করি আপনারা আমাদের পেছন থেকে এগিয়ে দিবেন ইনশাল্লাহ আপনাদের পাশ কখনো আমরা ছাড়বো না পিতার সামনে কথা দিয়ে গেলাম।  তিনি বলেন, সারা ময়মনসিংহে আমাদের বাড়ি-ঘর। ময়মনসিংহের মানুষ হিসেবে আমরা যে জায়গায়ই দাঁড়াবো সেটাই আমাদের বাড়ি, সেটাই আমাদের ঘর। কিন্তু তারপর আতুর ঘর বলতে একটা কথা আছে যে ঘরে জন্ম নিয়েছি সেই ঘর আমার আতুর ঘর। আমার পিতার রাজনীতির ঘর এই আকুয়া। আমার পিতাকে অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বানিয়েছেন এই আকুয়ার মানুষ। ভাইয়েরা ইনশাল্লাহ আমাদের মাঝখান থেকে আল্লাহ আরেকজন অধ্যক্ষ মতিউর রহমান তৈরি করবে। আর সেই আতুর ঘর তৈরি হবে আকুয়াতেই।

তিনি বলেন, আমরা যখন ছোট ছিলাম দেখেছি আকুয়ার একজন রিক্সাওয়ালাকেও কেউ অন্যায়ভাবে কখনো ছুঁতো না সেটা ভয়ে না, সেটা ঐক্যের জন্য। কারণ আকুয়ার রিক্সাওয়ালার গায়ে যদি কেউ হাত তুলতো ঝাঁকে ঝাঁকে আকুয়ার মানুষ শহরের বুকে গিয়ে সুদ নিয়ে আসতো। আবার সেই দিন ফিরিয়ে আনতে হবে। আজকে আমাদের মাঝে যে বিভাজন তৈরি করে দিয়েছে আমাদের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি করে দিয়েছে তার জন্যই আজকে আকুয়া দুর্বল হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, ছোট বেলায় দেখেছি মড়লবাড়ি খালেক দাদার উঠানে বৈঠক বসতো। সেখানে বসে মুরব্বিরা মাসালা করতেন, তারপর সিদ্ধান্ত দিতেন। আপনারা যারা মুরব্বী আছেন, সেই দিন আবার ফিরিয়ে আনতে হবে। আপনারা বসে মাসালা দিবেন, দিক নির্দেশনা দিবেন ইনশাল্লাহ আমরা সেই দিন ফিরিয়ে আনবো। না হলে বিড়াল গাল চাটবে, যার লক্ষণ আপনারা দেখেছেন। তিনি বলেন, আপনারা যদি এক থাকেন সেই বিদ্রোহী মৌজার সম্মান থেকে শুরু করে অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম পূর্ণ ধর্মমন্ত্রী হয়েছেন। ইনশাল্লাহ আকুয়ার মানুষকে সাথে নিয়ে এই ধারাকে সম্মুন্নত রাখবো। এই মাটি উর্বর মাটি যে যেদলই করি না কেন ময়মনসিংহের রাজনীতিতে নেতৃত্ব দিয়েছে আকুয়ার মানুষ। আমি যদি দলমত নির্বিশেষে কথা বলি এই মাটির এমপি হয়েছেন সাবেক ফজলুল হক সাহেব, বিএনপি থেকে দেলোয়ার হোসেন খান দুলু আর তারপর তো আছেনেই আকুয়ার সূর্য সন্তান আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান। যিনি ১০ই ডিসেম্বর ময়মনসিংহকে পাক হানাদার বাহিনী থেকে মুক্ত করে শহরে ডুকে ছিলেন।  

শান্ত বলেন, আমরা যে যেখানেই থাকি আমাদের কবর হবে এই আকুয়ার মাটিতে। এই মাটিতে দাঁড়িয়ে কথা দিয়ে গেলাম আকুয়ার সম্মান সম্মুন্নত রাখবো, আকুয়ার সেই দিন ফিরিয়ে আনবো। সে দিন ফিরিয়ে আনতে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ জনতার উপস্থিতিতে জনস্রোতে পরিনত হওয়া মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি আলহাজ মমতাজ উদ্দিন মন্তা, জেলা যুবলীগ সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গোলাম সারওয়ার, জেেলা যুবলীগ আহবায়ক এড আজহারুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক আখেরুল ইমাম সোহাগ, সদর উপজেলা যুবলীগ সভাপতি শাহজাহান সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সিরতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবু সাঈদ, মহানগর যুবলীগ যুগ্ম আহবায়ক রাসেল পাঠান, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ যুগ্ম সম্পাদক দেবাশীষ পান্না, জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক সরকার মোঃ সব্যসাচী, মহানগর ছাত্রলীগ সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফয়জুর রাজ্জাক উষান প্রমুখ। অনুষ্ঠানস্থলে শত শত নেতাকর্মীর মিছিল নিয়ে আসেন আকুয়ার সন্তান যুবনেতা ইঞ্জিনিয়ার রাফিউর রাজ্জাক বাদশা, মটরসাইকেল মিছিল নিয়ে আসেন জেলা যুবলীগ সদস্য আসাদুজ্জামান রুমেল।

About Bappy Chowdhury

Check Also

এনটিআরসিএ’র আপিলের শুনানি শেষ, আদেশ কাল

সরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক ১-১২তম নিবন্ধনধারীদের মধ্যে রিটকারী আড়াই হাজার জনকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *